Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্য পাওয়া

latest

এখন আর কেউ অডিও ক্যাসেট বা সিডি কিনে না: আসিফ

গানের বাজার থেকে অডিও ক্যাসেট এবং সিডির প্রচলন উঠে গেছে আরো পাঁচ বছর আগে । এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য দুই চারশো সিডি প্রিন্ট করা হয়। সিডি ন...

গানের বাজার থেকে অডিও ক্যাসেট এবং সিডির প্রচলন উঠে গেছে আরো পাঁচ বছর আগে । এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য দুই চারশো সিডি প্রিন্ট করা হয়। সিডি না থাকায় “এ্যালবাম ” শব্দটাও এখন জাষ্ট স্যূভেনিয়র হিসেবে পরিবর্তিত হয়েছে। গানের বাজার সম্বন্ধে যে সমস্ত শিল্পী এবং মিডিয়াকর্মীর ন্যূনতম ধারনা নেই, তারাই এ্যালবাম শব্দটা টিকিয়ে রেখেছেন। যেখানে সিডি বা অডিও প্লেয়ারই নেই সেখানে এ্যালবাম বাজবে কিভাবে !! আর বাকী থাকে ল্যাপটপ, মোবাইলে যদি সব পাওয়া যায় তাহলে ল্যাপটপে গান শুনবে কে ?

     অনেকেই প্রশ্ন করেন, তাহলে শিল্পীরা এই বাজারে চলে কিভাবে ! এতো এতো পত্রিকায় নিউজ, প্রকাশনা উৎসব হচ্ছে অথচ সোর্স অফ  ইনকাম এর জায়গাটায়  ধোঁয়াশা কাটছেই না । শিল্পীরা বাধ্য হয়েই এককালীন টাকা পেয়ে ষাট ( ৬০ ) বছরের জন্য গানের স্বত্ত্ব দিয়ে দেয় কোম্পানীকে । নানান আইনী জটিলতার কারনে শিল্পী আর প্রোডাকশনের সম্পর্ক এখন ডেডকাট। ইউটিউব নিয়ে যত গবেষনা এবং লেখালেখি হয় তার ১%  রেভিনিউও আসেনা, অর্থাৎ একটা হুদাই কুচকাওয়াজে শিল্পীরা ব্যস্ত । মোবাইল কোম্পানী আর কন্টেন্ট প্রোভাইডররা গানের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করেছে আগেই । বাংলালিংক রবি এয়ারটেল আর টেলিটক ফাও বাজার খুলে বসে আছে । গ্রামীন ফোন মাঝখানে খুব ভাল ভাবে শুরু করলেও এখন আবার নেমে গেছে তলানীতে ।

       শিল্পীরা বাঁচে ষ্টেজ শো করে, যে সৌভাগ্যটাও আমার নেই । আমি অটো ব্ল্যাকআউটে আছি, শো করতে পারিনা,মাঝে মাঝে দুই একটা ঝঞ্জাবিক্ষুদ্ধ শো আসে। আর কিছু শো আসে সেগুলো হয়তো ষ্ট্যাটাসের সাথে যায়না । সব শিল্পীকে সব কোম্পানী টাকা দেয়না, কিছু শিল্পী পায়, তার মধ্যে আমি একজন । ঐ ইনকামের টাকা আর হোটেল ব্যবসার টাকায় আমি চলি, আমার কোন সেভিংস নাই, তবে সম্পত্তি কিছু আছে যা আমার জন্য যথেষ্ট আল্লাহর রহমতে । গানবাজনা  তাহলে হচ্ছে কিভাবে !! এই প্রশ্নটা খুবই সময়োপযোগী, আমি শুধু আমার ব্যাখ্যাটাই দিলাম। আমার শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় আমি যদি প্রডিউসারের ডাকের অপেক্ষায় থাকি, তাহলে আগামী পাঁচ বছরে হয়তো পঞ্চাশটি গান গাইবো । ততদিন বেঁচে থাকলে আমার গাইতে হবে অনন্ত পাঁচশো গান । তাই আমার গান নিজের কোম্পানী থেকেই প্রডিউস করছি। আপাতঃ দৃষ্টিতে আপনার মনে হচ্ছে গান ফ্রি পাচ্ছেন, ঠিক তাই, MB লুটছে ফোন কোম্পানি । আর আমি আমার পরিবারের ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তার জন্য বিনিয়োগ করছি, এ ফর্মূলাটা এক ধরনের সেলফ ডিফেন্স, কারন এই অনাচার বেশীদিন থাকবেনা । আপনি শুধু গান শুনে যান, ভেবে ভেবে ব্লাড প্রেশার হাই করবেন না। ভরসা রাখুন-- আমি শুধু জেতার জন্যই খেলি ............ ভালবাসা অবিরাম ।।            

ছবিটা এক সময়ের ডাকসাইটে ফটোগ্রাফার  মিলন ভাইয়ের তোলা ২০০১ সালে, তখন আমার বয়স ছিলো ২৯