Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Classic Header

{fbt_classic_header}

সদ্য পাওয়া

latest

সোনারগাঁয় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের দুই পাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে হাইওয়ে পুলিশ। পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখ...

সোনারগাঁয়ের কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডে মহাসড়কের দুই পাশের প্রায় পাঁচ শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
করেছে হাইওয়ে পুলিশ। পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে এবং পথচারীদের চলাচলের ভোগান্তি লাঘবে ১০ জুন সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাইয়ুম আলী সরদার জানান, কাঁচপুর বাসষ্ট্যান্ডে বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম চালাচ্ছি। বিশেষ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা সিলেট মহাসড়কের যান চলাচল যেন স্বাভাবিক থাকে, ঈদ উপলক্ষে মানুষ যাতে নির্বিঘেœ নিরাপদে বাড়ী যেতে পারে এবং পথচারীদের চলাফেরা যেন সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক থাকে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করছি। তিনি আরো বলেন, উচ্ছেদ অভিযানের পর পরই অবৈধ দখলদাররা আবারো দখল করে দোকানপাট বসায়। তাই এবার আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কেউ যাতে আবারো দোকানপাট বসাতে না পারে সেজন্য অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি ঈদকে সামনে রেখে মহাসড়ক স্বাভাবিক থাকবে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবারই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র পুনরায় তা নির্মাণ করে এবং দোকান প্রতি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে অগ্রীম গ্রহণ করে। এছাড়া দৈনিক ২’শ থেকে ৩’শ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হয়। এসব অবৈধ দোকান থেকে ভাড়া বাণিজ্যের আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ইতিপূর্বে কয়েক দফা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
এভাবে চলতে চলতে এক পর্যায়ে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ আবারো অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করে। কিন্তু পরে তা আবারো নির্মাণ করা হয়। ফলে অস্থায়ী উচ্ছেদের দ্বারা শুধু গরীবের পেটে লাথি মারা ছাড়া আর কিছুই হয় না। তাই স্থানীয়রা কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ডকে স্থায়ীভাবে অবৈধ স্থাপনা মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে।